টিকটকঃ গরীবের সুন্দরী বউ, কুনজর সবার!

(উন্মোচন ব্লগ ঘোষণা দিয়ে আবারো ফিরে আসুক, এখন অনেকেই জানতে পারছে না বা একটা সন্দহ নিয়ে আছে)

টিকটক হচ্ছে গরীবের ঘরে সুন্দরী বউ, যার প্রতি নজর সবার, সুযোগ পাইলেই হল! আজ টিকটকের আবিস্কারক বা মালিক যদি আমেরিকান হত তবে কারো কোন কথা উঠত না! আমরা টিকটক এপসে যে ধরনের ইনফরমেশন বা এক্সেস দিয়ে থাকি তা গুগল, ফেইসবুক, টুইটার, আমাদের পাঠাও সহ দুনিয়ার সব এপসেই একই! শুধু দোষ টিকটকের যে, আমাদের ইনফরমেশন চায়না নিয়ে নিচ্ছে! পুওর নলেজ!

যাই হোক, জানতে পারলাম, অদ্য আমেরিকাতেও টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে, মিঃ ট্রাম্প মিঃ মোদীর মত একই যুক্তি দিয়েছে! তবে যুক্তি টা যদি এই সাধারন যুক্তি না হত তবে ভাল হত, নিজেরা সাধু সাজার প্রবণতা ভাল ঠেকে না! টিকটক বন্ধের মুল কারন হচ্ছে, এই জনপ্রিয় এপসকে সামনে এগিয়ে যেতে না দিয়ে নিজদের ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদিকে সামনে রাখা, কারন মানুষ যে হারে প্রতিদিন টিকটকে সময় দিচ্ছিলো, তাতে এরা ইউজারদের সময় হারাচ্ছিলো!

বাংলাদেশে টিকটক নিষিদ্ধের কোন কারন দেখি না। বাংলাদেশে টিকটক সরকারকে নানাভাবে উপকার করেই যাচ্ছে! টিকটক ইউজারেরা সরকারের কোন ব্যাপারে মাথা ঘামচ্ছে না, যা ফেইসবুক ইউজারেরা করে থাকে, এদিক থেকে রাতের সরকার নিরাপদ, অন্তত সমালোচনার হাত থেকে! টিকটক ইউজারেরা মোবাইল থেকে ব্রাউজ করে ফলে প্রচুর নেট টাইম ইউজ করে এতে দরিদ্র সরকারের রাজস্ব বাড়ে, চিন্তা ছাড়া কত টাকা কামাই!

টিকটক মুলত দরিদ্র, অসহায় মানুষদের বিনোদন এবং এতে এই শ্রেনী কিছুটা হলেও চালাক এবং শিক্ষিত হচ্ছিলো, যা সারা বিশ্বের ধনী বা কথিত শিক্ষিত সমাজের জন্য ভাল ঠেকছিলো না! আমার ধারনা টিকটক চায়না নয়, আমেরিকা ব্যতিত যে কোন দেশের হলেও আজ এই সমস্যা হতই।

অন্য দিকে সারা দুনিয়াতে এখন চায়না নিজদের যে অবস্থার মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে মুলত আমরা একটা বিশ্বযুদ্ধ আশা বা ধারনা করতেই পারি! চায়নিজ গাভারমেন্ট কি চাইছে সেটা পরিস্কার হচ্ছে না, এরা ইন্ডিয়া, আমেরিকা, ইংল্যান্ডের মত দেশের সাথে ইত্য মধ্যে যে ঠান্ডা লড়াইয়ে নেমেছে, তাতে কি হয় আগামীতে দেখার বিষয় হয়ে রইলো!

আমরা বাংলাদেশী অভাগারা ফলত এখনো কোন কথা বলছি না, না চায়না, না ইন্ডিয়া, না আমেরিকা, না ইংল্যান্ড! মুখে কুলুপ দিয়ে আমরা মুলত ভাল মনের পরিচয় দিচ্ছি! যাক না আরো কিছু দিন! সেই সময় পর্যন্ত টিকটক চলুক!😁

টিকটক লগো

 

0 জনের ভালো লেগেছে