বাবা

সতের বছর আগের কথা। এক লোককে বেশ অপছন্দ করতাম। বিরক্ত লাগত। যতটা সম্ভব এড়াতে চাইতাম। অপরিচ্ছন্ন (মানে, আমার থেকেও), কাণ্ডজ্ঞান কম (মানে, গা ঘেঁষে দাঁড়ায়, কথায় থুথু ছিটে, শুনতে না চাইলেও বকবক করে), সামাজিক মানদণ্ডে আকর্ষণীয় না (মানে, ক্ষমতা-অবস্থানে দুর্বল, সুবিধা পাওয়ার আশা নেই)।

শুধু এড়ানোর চেষ্টা না, আড়ালে তাকে নিয়ে হাসাহাসি করতাম, তাচ্ছিল্য করতাম। তিনি এসব কিছু জানতেন না। সরল এবং আন্তরিক ছিলেন। যেচে কাছে আসতেন, অনবরত কথা বলতেন। তিনি যাতে আহত বা অসম্মানিত না হন, তাই বিরক্তি গোপন করে তার কথা শুনতে হত।

১ জনের ভালো লেগেছে

নষ্ট

নষ্ট ছেলের নষ্ট উপাখ্যান,
নষ্ট রাতের নষ্ট চাঁদ, নষ্ট জ্যোৎস্না,
নষ্ট সমাজের নষ্ট সম্পর্ক, নষ্ট বিশ্বাস,

অশ্লীল সাহিত্যে নষ্ট উপমা,
নষ্ট হরফে ছাপা নষ্ট ভালোবাসা।

নষ্ট চিত্রকর্মে নষ্ট রঙ,
নষ্ট আকাশ, নষ্ট বাতাসে দীর্ঘশ্বাস।

নষ্ট সময়ে তীব্র আহ্বান,
নষ্ট সাড়ার বলি ভোরের কাক!

0 জনের ভালো লেগেছে

কম জানলে বেশ হতো। - ০১

মাঝেমধ্যে ভাবি আমিও যদি কম জানতাম কত সুবিধাই না হতো! আমি অর্থমন্ত্রী হলে তখন টাকা আয়ের চিন্তা না করে যখন লাগতো টাকা ছাপিয়ে ফেলতাম! সারাদিন লাল চশমা পড়ে নিজের গাড়িতে দেশ চষে বেড়াতাম প্রেমীকার সাথে, আর সব বিল ধরিয়ে দিতাম সরকারি খাতে। 

কম জানলে   বেশ হতো, যখন ইচ্ছে তখন তোমার মন চেয়ে রাজপথ দখল করতাম, সব পণ্যের মজুদ বাড়িয়ে বেশি দামে ছক্কা হাঁকতাম! সেই টাকায় এই বিশ্রী দেশ ছেড়ে লন্ডন আমেরিকায় পাড়ি দিতাম! 

 শুধু নিজেরটা বুঝলেই বেশ হত। ব্যাংকে রাখা অন্যের টাকা নিজের ভেবে নিয়েই চম্পট দিতাম, জোছনা রাতে দামি রেস্তোরাঁর ছাদে বসে বিয়ার আর দামি শ্যাম্পেইন হাতে এই গরীব দেশের মজা নিতাম।

0 জনের ভালো লেগেছে

ধেনু

এই করোনাকালে ভাবলাম, ঘুমের আগে বাচ্চাদের যেসব গল্প বানিয়ে বানিয়ে বলি তা লিখে ফেললে কেমন হয়? যেই ভাবা সেই কাজ। এমন সময় তো আর সহজে মিলবে না! আষাঢ় মাসও তো সমাসন্ন, সুতরাং...

শশী তখন টিন্টুর প্রিয় সঙ্গী। শশীর কথা মনে আছে তো! ওই যে বাছুরটা, একবার শিয়ালের মুখ থেকে টিন্টুদের মোরগটাকে বাঁচাল। সেই শশীকে নিয়ে সেদিন খোলা মাঠে গেছে টিন্টু। মাঠের মাঝখানে বড়বড় ঘাস তখন, শেষ গ্রীষ্ম তো, মাঝেমাঝেই বৃষ্টি-টিষ্টি হয়, তাই ঘাসগুলো তরতাজা। শশী কী আর ওরকম ঘাস খেতে পারে? ঘাসের ডগায় ঝিভ আর কচি দাঁত লাগিয়ে টানাটানি করাই সার। আসল আনন্দ হলো মাঠ জুড়ে ছুটোছুটিতে।

0 জনের ভালো লেগেছে

কথাকৌতুক : নোট-ভোট-জোট-চোট!

উন্মোচন আবার উন্মোচিত হয়েছে শুনে মনটা ভরে গেল। নতুন কিছু দেয়ার জন্য মনটা ছটফট করে উঠল। কিন্তু কপাল আমার! যন্ত্র সংক্রান্ত যন্ত্রণায় ভুগে নিজে থেকে কিছু দেয়ার সামর্থ্য এই মুহূর্তে নেই। তাই বন্ধুর শরণ নিতে হলো। পুরনো লেখাই আপাতত যাক, নতুন তো থাকলই। কয়েকটা দিন না হয় সবুর করুন বন্ধুরা।

0 জনের ভালো লেগেছে