গ্রাফিতি

গ্রাফিতি

 

গলা সংকুচিত হয়, বুক ধড়ফড় করে,
চোখ মনি কোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে আসতে চায়,
কী তীব্র ঝাঁঝালো স্বর!
কী তীব্র আহ্বান! 
বুকে রক্তাক্ত গ্রাফিতি, 
মুখে বারুদ, মাথায় মগজ জ্বলছে হয়ে মশাল!

0 জনের ভালো লেগেছে

প্রলাপ: ০১ ( সিলেক্টিভিজম)

নীতি, নৈতিকতা, প্রতিবাদ, উপদেশ, কাজ ইত্যাদিতে অনেকে বিশ্রীভাবে 'সিলেক্টিভিজম' খাটায়।
আর এর বিরুদ্ধে বললেই তারা বিশাল লেকচার দেয় 'ব্যক্তি স্বাধীনতা', ' নিজস্বতা', ' আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার' 'বাক স্বাধীনতা' ইত্যাদি নিয়ে।

এরাই মূলত সমাজের সহজ সরল মানুষদের একটা প্যারাডক্সে ফেলে দেয় এবং 'সারল্য'কে 'বোকামি' বলে প্রমাণ করার চেষ্টা চালায়। 

এই মানুষ গুলোর প্রকৃত চেহারা বুঝতে পারা কঠিন।
এর জন্যে বহু দৃশ্যপট থেকে দৃশ্যমান করা লাগে,
মানসিক জড়তার জন্যে বেশিরভাগ মানুষ এই সূক্ষ্ম ব্যবধান ধরতে পারে না।

তাই তারা যুগ যুগ ধরে মধ্যপন্থায় টিকে থাকে।

#প্রলাপ_০১

0 জনের ভালো লেগেছে

যুক্তিচিন্তা অথবা ভিক্ষুকের লজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক

প্রথম পর্ব

করোনার দিন। ভেঙ্গে গেছে স্বাভাবিক সময়কাঠামো। রাত জেগে কাজ আর দেরিতে জেগে ওঠা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে। বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো নেই, নিজের অফিসের জন্য পোশাক পাল্টানো বা জ্যামে বসে ঘেমে ওঠার নাগরিক ছোটাছুটি বন্ধ হয়ে গেছে। নয়টায় ল্যাপটপ খুলে হাজিরা দিলেই চলে।

সব পেশার মানুষের তো এরকম ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা তাইরে নাইরে ফ্রম হোম নাই। কাউকে কাউকে জীবন বা পেশার কারণে বাইরে বেরুতেই হয়।

১ জনের ভালো লেগেছে

টিকটকঃ গরীবের সুন্দরী বউ, কুনজর সবার!

(উন্মোচন ব্লগ ঘোষণা দিয়ে আবারো ফিরে আসুক, এখন অনেকেই জানতে পারছে না বা একটা সন্দহ নিয়ে আছে)

টিকটক হচ্ছে গরীবের ঘরে সুন্দরী বউ, যার প্রতি নজর সবার, সুযোগ পাইলেই হল! আজ টিকটকের আবিস্কারক বা মালিক যদি আমেরিকান হত তবে কারো কোন কথা উঠত না! আমরা টিকটক এপসে যে ধরনের ইনফরমেশন বা এক্সেস দিয়ে থাকি তা গুগল, ফেইসবুক, টুইটার, আমাদের পাঠাও সহ দুনিয়ার সব এপসেই একই! শুধু দোষ টিকটকের যে, আমাদের ইনফরমেশন চায়না নিয়ে নিচ্ছে! পুওর নলেজ!

0 জনের ভালো লেগেছে

টুয়েন্টি-টুয়েন্টি

মহারাজ বলিলেন, ভাবিয়াছিলাম এই ২০২০ সালটা টুয়েন্টি-টুয়েন্টি খেলিয়া পার করিব।

মন্ত্রী ডগমগ হইয়া বলিলেন, মহারাজ কী ইঙ্গিত করিলেন, আমি বোধহয় বুঝিতে পারিয়াছি।

মন্ত্রীর দিকে কটাক্ষ করিয়া মহারাজ বলিলেন, মন্ত্রী, সবসময় সবকিছু বুঝিতে নাই, বুঝিলেও বালকের ন্যায় উগরাইয়া দেওয়াতে কোনও গরিমা নাই। বুঝিয়াছ?

মন্ত্রী: হুজুর হুজুর।

মহারাজ বলিতে লাগিলেন, আমার পঞ্চরত্নের নতুন রত্ন, কই তিনি, চাঁদবদনখানা একটু দেখি! হু হু, আর দেখিয়া কাজ নাই, মস্তক নত করিয়াই বসিয়া থাকো। তিনি আমাকে কহিলেন, মাতৃভাষা চালু করুন মহারাজ। মাতৃভাষী সেজেছেন! মহান মাতৃভাষী!

0 জনের ভালো লেগেছে